তিনি বলেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন। তাকে গ্রেফতার করার প্রয়োজন কেন? কারণ তিনি দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি যেন এ দায়িত্ব পালন করতে না পারেন সেজন্য তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। এর অর্থ হচ্ছে বিএনপির আরেকটি ক্ষতি করা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, যে মামলায় রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে সে মামলায় তার নাম ছিল না। চার্জশিটের সময়ে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতার ও হয়রানি করার উদ্দেশ্যই তার নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে সরকার।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি নেই। তারা দেউলিয়া হয়ে গেছে। তারা এখন গণবিচ্ছিন্ন দলে পরিণত হয়েছে। জনগণের প্রতি তাদের আস্থা নেই। এজন্যই বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের নামে এক লাখের বেশি মামলা দিয়েছে সরকার। সরকারের উদ্দেশ্যই হল বিরোধী দলকে একেবারে নিঃশেষ করে দেওয়া।
সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল বলেন, রিজভী গ্রেফতার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। বিএনপি অফিসের স্টাফরা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না। গতকালকে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে ছাড়িয়ে আনা হয়। বিএনপির পল্টন অফিস ও গুলশান অফিস আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘেরাও করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেন ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, সেলিমা রহমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন জীবন, সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক এবি এম মোশাররফ হোসেন, যুবদলের সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক, ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ।
আরও পড়তে পারেন: হাসনাত ও তাহমিদের ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ
এসটিএস/ এমএসএম/