সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বলেন, ‘তাদের রিপোর্ট পক্ষপাতদুষ্ট। বিএনপি যখন জ্বালাও-পোড়াও করেছে, তখন তাদের চোখে পড়ে নাই। যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ চলছিল, তখনও এর বিরোধিতা করেছে অ্যামনেস্টি। তাই তাদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট। প্রকৃতপক্ষে তারা যে দেশে বসে কাজ করে থাকে, সেই যুক্তরাজ্যেও গণমাধ্যমের এমন স্বাধীনতা নাই।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আগামী ২০ মে সারাদেশের জেলা সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দফতর, প্রচার ও তথ্য গবেষণা সম্পাদকদের নিয়ে গণভবনে বসবেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। বৈঠকে জেলার নেতাকর্মীদের মহাজোট সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম প্রচার, বিগত সরকারের জ্বালাও-পোড়াও-হত্যাযজ্ঞ নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র প্রদর্শন করার কথা বলবেন। এছাড়াও, বৈঠকে দলের সভাপতি প্রতিটি জেলার সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শুনবেন, সে অনুযায়ী সমাধান দিয়ে দলকে নির্বাচনমুখী করে তুলবেন।’
হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘বৈঠকে ১৭ মে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বিশেষ ক্রোড়পত্র বের করা হবে। সেইসঙ্গে তার বর্ণাঢ্য জীবন নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রকাশ করা হবে। ক্রোড়পত্র প্রকাশের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কাশেম হুমায়ুনকে এবং তথ্যচিত্র প্রকাশের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কবি তারিক সুজাতকে।’
আওয়ামী লীগের দলের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক বৈঠকের সভাপতিত্ব করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বৈঠকে দলের কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। এসময় এইচ টি ইমামকে চেয়ারম্যান ও হাছান মাহমুদকে সদস্য সচিব করে ৩২ সদস্য বিশিষ্ট প্রচার উপ-কমিটি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন-
মন্ত্রিসভা থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত জাতীয় পার্টির!
/পিএইচসি/টিআর/