চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারমুখী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে চট্টগ্রামের পথে পথে অবস্থান নিয়েছে দলটির স্থানীয় নেতাকর্মী, অনুসারী ও ভক্ত-সমর্থকরা। নগরীর সার্কিট হাউস থেকে জুবিলি রোড হয়ে পটিয়া পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকায় হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে। তবে এই ভিড় ছাপিয়ে নগরীর কিছু কিছু এলাকায় পথচারীদের দুর্ভোগও সৃষ্টি হয়েছে। অগণিত মানুষের ভিড়ে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন অনেকে। এছাড়া খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে কয়েক জায়গায় স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদেরও রাস্তায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানা গেছে।
চট্টগ্রামের সার্কিট হাউট থেকে কর্ণফুলী নদীর দু’পাড়ে ও এরপর পটিয়া থানার স্থানে স্থানে রাস্তার দু’পাশে বিএনপি নেতাকর্মীদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। পটিয়ার শিকলবাহা এলাকায় খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে ভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি দেখা গেছে। শতাধিক নারী ও তরুণীকে হলুদ শাড়ি পড়ে ফুলের ডালা নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায় সেখানে। যাত্রাপথের কোনও কোনও স্থানে সেতুর ওপর ফুলের মালা দিয়ে বিএনপি নেত্রীর ছবি টাঙিয়ে রাখতেও দেখা গেছে।
খালেদা জিয়ার আগমনে একদিকে যেমন হাজার হাজার নেতাকর্মীর কণ্ঠে উচ্ছ্বসিত শ্লোগান উঠেছে, অন্যদিকে কিছু মানুষকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করতেও দেখা গেছে। খালেদা জিয়ার গাড়িবহর কর্ণফুলী নদীর ওপরের শাহ আমানত ব্রিজ অতিক্রম করার সময় এ দৃশ্য দেখা যায়।
স্থানীয় কর্ণফুলী থানার এসআই আলমগীর হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ শাহ আমানত সেতু দিয়ে চট্টগ্রামের পটিয়া ও বাঁশখালী এলাকার মানুষ বেশি যাতায়াত করে। বিএনপি চেয়ারপারসনের আগমনের কারণে নেতাকর্মীরা এ সড়কে অবস্থান করায় যান চলাচল খুর ধীর এবং কোনও কোনও স্থানে বন্ধ হয়ে আছে। এ কারণে পথচারীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।’
উল্লেখ্য, দুপুর সোয়া বারোটার দিকে কক্সবাজারের উদ্দেশে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউস ছাড়েন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার আগমনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-কক্সবাজার মহাসড়কেবর উভয় পাশে বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অবস্থান রয়েছে। এর আগে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের উদ্দেশে শনিবার ঢাকা ছাড়েন তিনি।
(ছবি: সালমান তারেক শাকিল)
এ সম্পর্কিত আরও খবর:
কক্সবাজারের উদ্দেশে চট্টগ্রাম ছাড়লেন খালেদা জিয়া