হাইকোর্ট এলাকায় আটক দুই কর্মীকে প্রিজন ভ্যান থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বিএনপির কর্মীরা। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানি শেষে খালেদা জিয়া আদালত থেকে ফেরার পথে হাইকোর্ট এলাকায় নেতাকর্মীরা জড়ো হলে এ ঘটনা ঘটে। তবে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেছেন, ‘প্রিজন ভ্যানে কোনও আসামি ছিল না।’
প্রত্যক্ষদর্শী ও আমাদের প্রতিবেদক জানান, হাইকোর্টের সামনের রাস্তায় প্রিজন ভ্যান থেকে সোহাগ মজুমদার এবং ওবায়দুল হক মিলন নামে দুই কর্মী ইশারা করলে ভ্যান ঘিরে জড়ো হন বিএনপিকর্মীরা। তারা তখন প্রিজন ভ্যানে ভাঙচুর শুরু করেন। এসময় এক পুলিশ সদস্য বাধা দিতে গেলে তাকে ঘিরে ফেলেন কর্মীরা। সেই পুলিশ সদস্যকে বাঁচাতে তার এক সহকর্মী এগিয়ে এলে তাদের দুজনের ওপর হামলা করেন এবং একটি অস্ত্র ভেঙে ফেলেন বিএনপিকর্মীরা। পরে বিএনপির সিনিয়র নেতাকর্মীরা এগিয়ে এসে তাদের সরিয়ে নিয়ে চলে যান।
এদিকে, এবিষয়ে শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, ‘প্রিজন ভ্যানে কোনও আসামি ছিল না। এ ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।’
রমনা জোনের ডিসি মারুফ হোসেন সরদার সাংবাদিকদের জানান, খালেদা জিয়া কোর্ট থেকে ফেরার পথে আমরা যথেষ্ট ধৈর্যশীল ছিলাম। আমাদের একটি প্রিজন ভ্যান ভাঙচুর করে।আটক থাকা দুইকর্মীকে তারা নিয়ে গেছে। তারা কোনও মামলার আসামি ছিল কিনা, তা এ মুহূর্তে বলতে পারবো না। আমাদের দুজন সদস্যও আহত হয়েছেন।’
এদিকে, খালেদা জিয়ার গাড়িবহর চলে যাওয়ার পর তিন জনকে আটক করা হয়। তাদের নাম বাবু, জাভেদ এবং হুমায়ুন। তবে কী কারণে তাদের আটক করা হয়েছে, তা জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানি শেষে খালেদা জিয়া আদালত থেকে ফেরার পথে গত দুই মাসে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো এ ঘটনা ঘটলো।