আসন্ন খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। শুক্রবার (৬ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে জোটের বৈঠক শেষে জোটের শরিক বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া এ তথ্য জানান।
এর আগে শুক্রবার পৌনে আটটার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে জোটের বৈঠক শুরু হয়। রাত ৯টার দিকে বৈঠকটি শেষ হয়। বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান, জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্য নির্বাহী সদস্য মাওলানা আবদুল হালিম, খেলাফত মজলিশের মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিমসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, আসন্ন খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদিও গাজীপুর মহানগরে জামায়াতের সিটি আমির মাওলানা সানাউল্লাহকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত ছিলো। এ বিষয়ে বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি ও দলটির নির্বাহী পরিষদের সদস্য মাওলানা আবদুল হালিম জানান, দলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠক করে তিনি জোটের সিদ্ধান্ত জানাবেন।
জাতীয় পার্টি (জেপি)-এর মহাসচিব আব্দুল মতিন সাইদের দাবি, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী দেওয়া নিয়ে ২০ দলীয় জোটের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।’
ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, ‘প্রার্থী প্রত্যাহারে বিষয়টি তাদের দলীয় বৈঠকে আলোচনা করে ২০ দলীয় জোটকে জানাবে বলে আশ্বাস দিয়েছে জামায়াত।’ গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান গোলাম মোস্তফা।
জোটের শরিক মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জোটগতভাবে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবেই নির্বাচন করবো।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জোটের সমন্বয়ক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জেনারেলি সিদ্ধান্ত হয়েছে আমাদের প্রার্থীই দুই সিটিতে প্রার্থী হবে। তবে দু’একজন আগ্রহ প্রকাশ করলেও তাদের সঙ্গে কথা বলব। সর্বোপরি ২০ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবেই সিটি নির্বাচনে অংশ নেবে।’