নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই। তাকে মুক্ত করার জন্য যা করা প্রয়োজন, আমাদের তাই করতে হবে। তার জন্য সর্বোচ্চ যে পর্যায়ে যাওয়া প্রয়োজন, সেখানেই যেতে হবে। আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্তি না দিলে অন্য ব্যবস্থায় তাকে মুক্ত করে আনা হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করি। আমরা প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারি কিন্তু শত্রু তো নয়। সরকার যেভাবে খালেদা জিয়ার সঙ্গে আচরণ করছে, তা কোনোভাবে আশা করা যায় না। খালেদা জিয়াকে আপনারা ভয় পান বলেই এসব করছেন। কারণ, তিনি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। তাকে মুক্ত করে আনার জন্য আইনি প্রক্রিয়ায় না হলে আমরা অন্য পন্থায় যাবো। আর সে পন্থা হবে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক আন্দোলন। আগামী দিনে শক্তিশালী আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।’
দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় খালেদা জিয়া আজ কারাগারে, এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘দেশের সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে সরকার। গণতন্ত্র শেষ, বিচার বিভাগ শেষ, পার্লামেন্ট আগে থেকেই নেই। শেয়ারবাজার ধ্বংস করেছে, ব্যাংক লুট করে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। এসবের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া আন্দোলন করছিলেন বলেই তাকে কারাগারে বন্দি করা হয়েছে। একটি পরিত্যক্ত কারাগারে বন্দি তিনি। সে কারাগারে আর কোনও কয়েদি নেই। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। যেকোনও সময় তিনি পা এবং চোখ হারাতে পারেন। তাকে বিশেষায়িত হাসপাতালে নেওয়ার সুপারিশ করেছিলেন ডাক্তাররা। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়নি। এমনকি সুচিকিৎসার কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিম প্রমুখ।