ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন,‘জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর উপস্থাপিত ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটে এক লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকার বিশাল অঙ্কের ঘাটতি রয়েছে। এ ঘাটতি মেটাতে দেশ-বিদেশ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিতে হবে সরকারকে। আর শুধু সুদ দিতে হবে ৫১ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা। একদিকে জনগণের ওপর জাতীয় ঋণের বোঝা দিন দিন বাড়ছে। অন্যদিকে দেশীয় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ৭১ হাজার ২২৬ কোটি টাকা সরকার ঋণ হিসেবে নিয়ে নিলে বেসরকারি ও ব্যক্তিগত খাতে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে।’
খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আরও বলেন,‘এ বাজেট গণবিরোধী। এতে সাধারণ জনগণের কোনও কল্যাণ হবে না। বাজেটের ফলে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাবে। নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়ার জন্যে বিশাল অঙ্কের বাজেট দেওয়া হলেও এ বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এ বাজেট অন্ঃসারশূন্য।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন— দলটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, শেখ গোলাম আসগর, সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, মাওলানা আহমদ আলী, অধ্যাপক মুহাম্মদ আবদুল হালিম, মাওলানা নোমান মাযহারী,মো. আবদুল জলিল, মাওলানা আজিজুল হক প্রমুখ।