স্থানীয়রা জানান, বর্ষাকাল এলেই সড়কের ভোগান্তি দ্বিগুণ বেড়ে যায়। এ সময় এ রাস্তা দিয়ে চলতে গেলে হাঁটু পর্যন্ত পা কাদার ভেতর দেবে যায়। এ সময় সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখিন হন বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ সবজি চাষিরা। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি পাকাকরণের দাবি জানালেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেননি বলেও অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
কলেজছাত্র সন্দিপ ভদ্র বলেন, ‘এলাকায় প্রায় দেড় হাজার লোকের বসবাস। প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে ৫০০-৭০০ লোক যাতায়াত করে। একটু বৃষ্টি হলেই এ রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।’
কৃষক সবুজ বিশ্বাস বলেন, ‘এ অঞ্চলে ১২ মাসই সবজি চাষ হয়। সপ্তাহজুড়ে হাটে যেতে হয়। প্রতিদিন কয়েবশ’ মণ সবজি বাজারজাত করতে খুবই কষ্ট হয়। রাস্তার কারণে অনেক সময় বাজারে নেওয়া যায় না, ক্ষেতেই সবজি পচে যায়।’
যোগাযোগ করা হলে নারিকেলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহের আবুল সরদার বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে অনেকবার আলোচনা হয়েছে। আমাদের সংসদ সদস্য রণজিৎ বাবু অবহিত। আপনারা যদি তাকে বলেন তাহলে রাস্তাটি পাকা হয়ে যাবে।’