মির্জা ফখরুল বলেন, প্রস্তাবিত আইনের এক নম্বর অসঙ্গতি হচ্ছে, ট্রান্সপোর্ট মালিকদের সম্পর্কে খসড়া আইনে কোনও কিছু বলা নেই। দ্বিতীয়ত, যদি কারো দুর্ঘটনায় মৃত্যু ঘটে, সেখানে বলা হয়েছে, যদি হত্যার উদ্দেশ্যে নিয়মনীতির বাইরে গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনায় কেউ মারা গেলে সর্বোচ্চ শাস্তি পাঁচ বছর।’
নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবি ছিল উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সেটা এই খসড়া আইনে নেই।’ মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এতদিন বলা হলো আমরা আইন আনছি, আইন করছি। এখন কিন্তু দেখা গেলো যে কোটার মতোই অবস্থা দাঁড়িয়ে গেলো। আরেকটা প্রতারণা।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘মন্ত্রিসভায় আইনের খসড়া অনুমোদন হয়েছে। এখনো পাস হয়নি। আশা করবো আইন হওয়ার আগে বিষয়টি আবার তারা বিবেচনায় নিয়ে দেখবেন।’
২০ দলীয় জোটের বৈঠকের বিষয়বস্তু তুলে ধরে জোটের সমন্বয়কারী নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিশু-কিশোরদের ওপরে পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের হামলা, আলোকচিত্রীদের ওপর নির্মম নির্যাতন, প্রবীণ আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে গ্রেফতারের নিন্দা জানিয়েছে জোট।’
বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে বলেও জানান নজরুল ইসলাম খান।