তিনি বলেন, ‘এখন দেখছি বিদেশিদের দ্বারে দ্বারে ধরনা দিয়ে নালিশ করছে। এই পার্টি আবারও প্রমাণ করলো—বিএনপি বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি নয়, এটা হচ্ছে বাংলাদেশ নালিশ পার্টি।’
বিএনপির আন্দোলন করার সক্ষমতা নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘যাদের নিজেদের আন্দোলন করার সক্ষমতা নেই, ব্যর্থ হয়ে বিদেশিদের কাছে দেশের কথা বলছে—এরা দেশপ্রেমী নয়।’
আক্রান্ত হয়ে আওয়ামী লীগকে আক্রমণকারী বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে জানিয়ে কাদের বলেন, ‘৪৬ নেতাকর্মী আমাদের আহত। শিলা, পাথর, ছাত্রছাত্রীদের ব্যাগে এগুলো ছিল না। অরাজনৈতিক আন্দোলনে যে রাজনীতির অনুপ্রবেশ ঘটেছে, তারা এই পাথর বহন করেছে। মিরপুর থেকে হাজার হাজার স্কুল ড্রেস ব্যাগ সংগ্রহ করেছে।’
তিনি বলেন, ‘নীলক্ষেত থেকে ভুয়া আইডি কার্ড সংগ্রহ করে ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনকে নোংরা রাজনীতির আন্দোলনের দিকে নিয়ে যাওয়ার অশুভ এজেন্ডা যাদের, তাদের আমরা নিন্দা করি। তাদের ধিক্কার জানাই। আজকে আরাফাত নামে আমাদের এক কর্মীকে বিদেশে পাঠাতে হচ্ছে। তার একটি চোখ সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে।’
গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘কোনও কোনও মিডিয়ায় এবং কোনও কোনও কাগজে, এমনকি ফেসবুকে অপপ্রচার হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছিল—সে (আরাফাত) আন্দোলনরত ছাত্র। তার চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। সে যে আমাদের দলের সেটা বলা হয়নি।’
অনুষ্ঠানে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের সম্পর্কে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তিনি ছিলেন সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ও সাহসের উৎস। বাংলাদেশে বহু ফার্স্টলেডি দেখেছি, কিন্তু বেগম মুজিবকে আমরা পাদপ্রদীপের আলোয় খুব একটা দেখিনি। তিনি সব সময় ছিলেন পর্দার অন্তরালে।’
অনুষ্ঠানের শেষে দুস্থদের মধ্যে খাবার ও বস্ত্র বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এএফএম ফখরুল ইসলাম মুন্সি। সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।