গণতন্ত্র-ভোটাধিকার ও ভাত-কাপড়-শিক্ষা-স্বাস্থ্যের সংগ্রামে শামিল হোন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ সব কালো আইন ও শ্রমিক স্বার্থবিরোধী সড়ক পরিবহন আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল এবং গণতান্ত্রিক শাসনের উপযোগী অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, ‘দেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে হলে প্রথমেই একটি নির্দলীয় সরকার গঠন করতে হবে এবং পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে হবে। নয়তো দেশে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।’
তিনি বলেন, ‘দেশে নির্বাচনের কোনও পরিবেশ নাই। বর্তমান সরকার ২০১৪ সালে ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে বসেছে। এই সরকার অতীত আমলের সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। এ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত কোনও নির্বাচনে জনগণ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে নাই। একারণেই বর্তমান সরকারের পদত্যাগ করা খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।’
খালেকুজ্জামান আরও বলেন, ‘দেশে আজ গণতন্ত্র নাই। জনমানুষের বাক-স্বাধীনতা নেই। সভা-সমাবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নারী-শিশু নির্যাতন হচ্ছে।’
আইনের বেড়াজালে জনমানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হচ্ছে মন্তব্য করে খালেকুজ্জামান বলেন, ‘সম্প্রতি জনমত উপেক্ষা করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংসদে পাস করে বাক-স্বাধীনতা হরণের সর্বশেষ নজির সৃষ্টি করেছে এই সরকার।’ অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করার দাবিও জানান তিনি।
সমাবেশ শেষে প্রেসক্লাবের সামনে থেকে একটি মিছিল নিয়ে কদম ফোয়ারা হয়ে পল্টন মোড় ঘুরে আবারও প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক কমরেড বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— রাজেকুজ্জামান রতন, নিখিল দাস, রাহাত আহমেদ প্রমুখ।