ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মনোনয়ন নিতে এত প্রার্থী, তারা একজন অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণ করেন। সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি। তারা বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে কথা না বলে নিজেদের বিরুদ্ধে কথা বলতে থাকেন। চায়ের দোকানে বসে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বদনাম করেন, ঘরের মধ্যে ঘর করেন। আর যাই হোক তারা মনোনয়ন পাবে না।’
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সবকিছুর জবাবদিহি নেওয়া হবে বলে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ক্ষমতায় গেলে কী হবে? আগে ক্ষমতায় যান। এত সহজ নয়, ক্ষমতার ময়ূর সিংহাসন অনেক দূরে। শেখ হাসিনার উন্নয়ন অর্জনের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় আপনাদের চলার পথে যে কালো ছায়া পড়েছে, তাতে বিএনপি সংকটে পড়েছে। হুমকি দিয়ে বিএনপি নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে চাইছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার বলে দিয়েছি। আমরা বিএনপি বা অন্যান্য দলের সঙ্গে সংঘাতে যাবো না। আমরা কাউন্টার মিটিং করবো না। আমরা পাল্টা সমাবেশ করবো না। বাংলাদেশের রাস্তার মালিক জনগণ। এই রাস্তা কেউ দখল করতে পারবে না, না সরকারি দল, না বিরোধী দল। এই রাস্তা দখলের নামে ঢাকা অচল করবে বিএনপি?’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি হুমকি দিয়ে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে চাইছে। ঘোলা জলে মাছ শিকার করতে চাইছে। আমরা পাল্টা করবো না। ঢাকা অচল করতে যদি বিএনপি আসে, জনগণ তাদের অচল করে দেবে।’ তিনি বলেন, ‘এই দেশের মালিক আল্লাহ, এরপর জনগণ। জনগণ যতদিন ক্ষমতায় রাখবে, আমরা ততদিন থাকবো। কিন্তু জনগণ না চাইলে আমরা একদিনও ক্ষমতায় থাকবো না।’