আগামী ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করা হবে। তাহলে বিএনপি আর কবে আন্দোলন করবে?— এমন প্রশ্ন তুলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘হাঁটুভাঙা দল বিএনপির সঙ্গে জোট করেছেন কোমরভাঙা দলের নেতা।’
সোমবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা মোড়ে নির্বাচনি প্রচারপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি বিএনপির আন্দোলনের সক্ষমতা ও নবগঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
এ সময় তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অসুস্থ রাজনীতির কারণে নেতাকর্মীদের নিজেদের মধ্যে যেন শত্রুতা সৃষ্টি না হয়—সে বিষয়েও সবাইকে সতর্ক করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘স্লোগান, পাল্টা স্লোগান দিয়ে নমিনেশন (মনোনয়ন) পাওয়া যাবে না, রংবেরঙের পোস্টারও নমিনেশন দেবে না। যারা জনগণের সঙ্গে ভালো আচরণ করেন না, চাঁদাবাজি করেন, অপকর্ম করেন, তাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে না। ভালো হয়ে যান, কেউ অপকর্ম করবেন না, কেউ চাঁদাবাজি করবেন না। আওয়ামী লীগে দখলদার, চাঁদাবাজদের জায়গা নেই।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কাছে আমার দাবি একটাই প্রার্থী ৪৫ যা-ই হোক, নমিনেশন পাবেন একজন। বাকি চারজন যদি ভেতরে ভেতরে বিরোধিতা করেন তাহলে আমাদের জন্য ভালো হবে না। প্রার্থী হওয়ার অধিকার সবারই আছে। অসুস্থ প্রতিযোগিতা কর্মীদের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করে। এই শত্রুতা সৃষ্টি করবেন না। আগামী নির্বাচন খুব চ্যালেঞ্জিং হবে।’
এই নির্বাচনে দেশি-বিদেশি অনেক ষড়যন্ত্র আছে দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলে ঐক্য থাকলে কেউ নির্বাচনে পরাজিত করতে পারবে না।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘হাঁটুভাঙা দল বিএনপির সঙ্গে জোট করেছে কোমরভাঙা দলের নেতা। এই ঐক্য দেশের মানুষ বিশ্বাস করে না। তারা ডাক দিলে জনগণ আসবে না। আওয়ামী লীগে ঐক্য থাকলে ৭০ দল ঐক্য করলেও আওয়ামী লীগের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’
বিএনপির সাত দফা দাবি মামাবাড়ির আবদার মন্তব্য করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সাত দফা দাবি হলো নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের দাবি।’