খালেদা জিয়া ও ড. কামাল হোসেনের মধ্যে মিল আছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। রবিবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শহীদ শেখ রাসেলের ৫৪তম জন্মদিন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
হাছান মাহমুদ বলেন, খালেদা জিয়া এবং ড. কামাল হোসেন দুজনই কালো টাকা সাদা করেছিলেন। এদিক দিয়ে দুজনের মধ্যে মিল আছে। সরকারকে অনুরোধ জানাবো— ড. কামাল হোসেন সাহেবরা তাদের মক্কেলদের কাছ থেকে কত টাকা ফি নেন এবং সরকারের ট্যাক্স অফিসে কত ডিক্লেয়ার করেন, তা তদন্ত করে গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অনিয়ম পাওয়া গেলে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। কেননা, যারা ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলেন, আর অন্যায়ের সঙ্গে আঁতাত করেন এবং যারা দুর্নীতিমুক্ত সমাজের কথা বলেন, তারা পরিপূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত থাকবেন সেটাই জনগণের প্রত্যাশা।’
নারী ও শিশু হত্যাকারীদের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ড. কামাল হোসেন, উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘‘ড. কামাল হোসেন কথায় কথায় বলেন, তিনি নাকি বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। অথচ তিনি আজকে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী, শেখ রাসেলের হত্যাকারী, সুকান্ত বাবুর হত্যাকারী এবং ৭৫'এ নারী ও শিশু হত্যাকারীদের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। এমনকি তিনি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের কথা বলেন। যাদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, তাদের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার মুক্তি চান। তিনি জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেন। অথচ জঙ্গিদের পাশে বসে তিনি সাতদফার দাবি দিয়ে বললেন— ‘জঙ্গিবাদ দমন করতে হবে।’ এটি দেশের জনগণের সঙ্গে মশকরা ও ভাঁওতাবাজি করা ছাড়া অন্য কিছু নয়। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী যেমন বিএনপি জামায়াত এবং খন্দকার মোস্তাক গং, আজকে তাদের সহযোগী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্না,আ স ম রব গং।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদসহ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।