বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র পিএইচএ ভবন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন, শিক্ষার্থীদের ছাত্রাবাসে হামলা, ভাঙচুর ও ছাত্রছাত্রীদের লাঞ্ছনার মাধ্যমে যারা ভয়ঙ্কর সন্ত্রাস চালিয়েছে, তারা যে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ করেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই অপরাধের দায় সরকার এড়াতে পারে না। কারণ, সরকারের মদত ছাড়া এই হামলা চালানো সম্ভব হতো না।’
এতে আরও বলা হয়, এই হামলার আগে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে হেয় করার জন্য তার বিরুদ্ধে চুরি, চাঁদাবাজি ও জমি দখলের মতো মামলা দিয়ে তার কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমদ, বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ, প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবু হেনা, ড. মাহবুবউল্লাহ, মাহফুজ উল্লাহ, প্রফেসর আফম ইউসুফ হায়দার, ড. খন্দকার মুশতাহিদুর রহমান, ড. সদরুল আমিন, আলমগীর মহিউদ্দিনসহ অনেকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতির বিষয়ে শত নাগরিক জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘জাফরুল্লাহ চৌধুরী একজন বরেণ্য ব্যক্তি। এই দুঃসময়ে আমরা তার পাশে আছি।’