সাইফুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের বক্তব্য শুনেছেন। আমরা বলেছি, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই সমস্যার সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, বর্তমান সংসদ এখনও বহাল আছে। তাই জনদাবি পূরণ করার জন্য সরকার সংসদ ডেকে প্রয়োজনে সাংবিধানে সংশোধনীও আনতে পারে। ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আগামী নির্বাচন কীভাবে হবে, তা অনেকখানি নির্ভর করছে সরকারি দলের রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর।’
গণভবন থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, ‘আশা ও আশঙ্কা নিয়ে সংলাপ শেষ হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে সংলাপের ফল বোঝা যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমরা সংলাপে অংশ নিয়েছি। নির্বাচন নিয়ে ৮ দফা, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে ৭ দফা জানিয়ে এসেছি। কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য ৫টি বিষয় তুলে ধরেছি। এ দাবিগুলো এখন সরকার ভাববে। এগুলো নিয়ে আমরা জনমত তৈরির কাজ করবো। আমরা মনে করি, সংলাপের মধ্য দিয়ে সমাধান সম্ভব। সেক্ষেত্রে সরকারকে জনমতের গুরুত্ব দিতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরকার অনড় অবস্থানে রয়েছে বলে মনে হয়েছে।’