বুধবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা জেলা জাপা সভাপতি শেখ আজহার হোসেন জানান, হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ দলের কেন্দ্রীয় মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদারের কাছে এই আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেছেন। পরে টেলিফোনে রুহুল আমীন হাওলাদার জেলা জাতীয় পার্টিকে জানান, এই বার্তা সাতক্ষীরাসহ দেশবাসীকে জানিয়ে দিতে বলেছেন পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ। এ উপলক্ষে খুব শিগগিরই এরশাদ সাতক্ষীরা সফর করবেন বলেও জানায় জেলা জাপার নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টির নেতারা বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতির এই ঘোষণাকে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন। একই সাথে এরশাদ ও পার্টির মর্যাদা রক্ষায় সবাই একযোগে কাজ করবেন বলেও জানিয়েছেন তারা। চেয়ারম্যানের আগ্রহের কথা উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সাতক্ষীরা থেকেই জাতীয় পার্টির নির্বাচনি প্রচার শুরু করবেন এরশাদ।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা জাপা’র সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশু, সহ সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম, সদর উপজেলা জাপা সম্পাদক আনোয়ার জাহিদ তপন, দলের যুগ্ম সম্পাদক দুররুল হুদা লালু, জেলা ছাত্র সমাজ সভাপতি কায়সারুজ্জামান হিমেল, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির এড. আবুল হোসেন এই আসনে জয়লাভ করেন । ১৯৮৮ সালের নির্বাচনেও তিনি জয়ী হন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে হাতছাড়া হয়ে যাওয়া আসনটি ২০০৮ সালের নির্বাচনে ফিরে পায় জাতীয় পার্টি। জাতীয় পার্টির গোলাম রেজা সাংসদ নির্বাচিত হন। শ্যামনগর উপজেলা ও কালিগঞ্জ উপজেলার চারটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনের বর্তমান সাংসদ আওয়ামী লীগের জগলুল হায়দার। জাপার সাবেক এমপি গোলাম রেজা সম্প্রতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টে যোগ দিয়েছেন। একাদশ সংসদ নির্বাচনে এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হতে প্রচার চালাচ্ছিলেন জাপার শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সাত্তার মোড়ল।