এর আগে গত ১১ নভেম্বর আনোয়ার হোসেন খান নিজ দল আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন।
এ প্রসঙ্গে তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়্যদ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমার দল থেকে যে কেউ মনোনয়ন নিতে পারবেন। আনোয়ার হোসেন খানও নিয়েছেন। তবে তিনি আমার দলে যোগ দেননি।’
আনোয়ার হোসেন খানের প্রার্থিতা প্রসঙ্গে নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগে নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক। বর্তমানে আমাদের দল থেকে দুজন সংসদ সদস্য আছেন। এবার ১০টি মতো আসন চেয়েছি আমরা। এখন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, আমরা তাই মেনে নেবো। আমাদের সিদ্ধান্তও নেত্রী দেবেন, ফলে আনোয়ার হোসেন খানের বিষয়েও নেত্রীর সিদ্ধান্তের বাইরে কিছু হবে না। তিনি কোন দল থেকে নির্বাচন করবেন, সেটি নেত্রীই ঠিক করবেন।’
গত ১১ নভেম্বর রবিবার বিকাল চারটার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য আনোয়ার খানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের হাজারখানেক নেতাকর্মী। ওইদিন আনোয়ার হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘রামগঞ্জ আওয়ামী লীগ এখন ঐক্যবদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে আমি এলাকার মানুষের জন্য কাজ করছি। আশা করছি, প্রধানমন্ত্রী এর মূল্যায়ন করবেন। মনোনয়ন পেলে রামগঞ্জ-১ আসনটি জননেত্রী শেখ হাসিনকে উপহার দিতে চাই।’
তরিকত ফেডারেশন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আনোয়ার হোসেন খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এখন মিটিংয়ে আছি। এই বিষয়ে পরে জানাবো।’
উল্লেখ্য, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য তরিকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব এম এ আউয়াল। তার আসনে আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন খানকে মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলের এম এ আউয়াল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারবো না। তবে আমাদের দলের সদস্যরা আরও বেশি আসনে জোটগতভাবে নির্বাচন করতে পারেন, সেই চেষ্টা করেছেন দলের চেয়ারম্যান।’