যেসব আসনে দুইজন মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন তারা হলেন, ঢাকা-৫ আসনে হাবিবুর রহমান মোল্লা ও মনোয়ার হোসেন মনু, ঢাকা-৭ আসনে হাজী সেলিম এবং আবুল হাসনাত। কিশোরগঞ্জ-১ আসনে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও মসিউর রহমান হুমায়ুন, পটুয়াখালী-২ আসনে আ স ম ফিরোজ ও শামসুল হক রেজা, চাঁদপুর-১ আসনে মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও গোলাম হোসেন, বরগুনা-১ আসনে জাহাঙ্গীর কবির ও ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, নরসিংদী-৩ আসনে সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ও জহিরুল হক ভূঞা মোহন, বরিশাল-৫ এ জেবুন্নেছা হীরন ও কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে শাহজাহান কামাল এবং গোলাম ফারুক টিংকু এবং জামালপুর-৫ আসনে রেজাউল করিম হীরা ও ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর।
এসব প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা-৫ আসনে হাবিবুর রহমান মোল্লা বর্তমান সংসদ সদস্য। আর মনোয়ার হোসেন মনু যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি। হাজী সেলিম ঢাকা-৭ আসনে স্বতন্ত্র এমপি। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। আবুল হাসনাত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সৈয়দ আশরাফ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তিনি এই মুহূর্তে অসুস্থ হয়ে ব্যাংককে চিকিৎসাধীন। আর মশিউর রহমান হুমায়ুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী হিসেবে কাজ করেন। বরিশাল-৫ আসনে বর্তমান এমপি জেবুন্নেছা। ওই আসনে আরেক প্রার্থী জাহিদ ফারুক সাবেক সেনা কর্মকর্তা। নরসিংদী-৩ আসনে বর্তমান এমপি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা। একই আসেন জহিরুল হক ছিলেন সাবেক এমপি। চাঁদপুর-১ আসনে মহিউদ্দিন খান আলমগীর বর্তমান এমপি ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ওই আসনে আরেক প্রার্থী গোলাম হোসেন এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান।
লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে বর্তমান এমপি বিমানমন্ত্রী শাহজাহান কামাল। আর গোলাম ফারুক টিংকু জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। বরগুনা-১ আসনে বর্তমান এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু। আর জাহাঙ্গীর কবির জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। পটুয়াখালী-২ আসনে বর্তমান এমপি আ স ম ফিরোজ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ। ওই আসনে অপর প্রার্থী শামসুল হক রেজা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক।
আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, কৌশলগত কারণে একটি আসনে একাধিক প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন এসব বিষয় চূড়ান্ত করা হবে। অবশ্য এ বিষয়ে রবিবার (২৫ নভেম্বর) সকালে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, কোনও কোনও আসনে মনোনয়নের চিঠি দুটিও দেওয়া হয়েছে। এটি করা হয়েছে টেকনিক্যাল কারণে। সময় ও পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রার্থী বদলাতেও হতে পারে। অন্য প্রার্থী বেশি শক্তিশালী হলে দলের প্রার্থী বিবেচনা করা হবে।