চিঠিতে নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, তিনি রংপুর সিটি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী ও দলটির নেতা রাশেক রহমানের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালান। তিনি তার নির্বাচনি মোটর শোভাযাত্রার অগ্রভাগে থেকে পুরো রংপুর শহর প্রদক্ষিণ করেন। একটি রাজনৈতিক দলের মেয়র প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে একজন পর্যবেক্ষক হিসেবে তিনি তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন।
চিঠিতে আরও অভিযোগ করা হয়, কলিমুল্লাহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণ কোর্সে, বিশেষ করে পুলিশ ও র্যাবের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের পক্ষে বক্তব্য দেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠান-টকশোতেও দলটির পক্ষে প্রচারণা চালান। নিজেকে আওয়ামী বুদ্ধিজীবী হিসেবে উপস্থাপন করেন। কলিমুল্লাহ আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দীন খান আলমগীরের ভাগিনা বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
কলিমুল্লাহকে একটি নির্দিষ্ট দলের সমর্থক বা অ্যাক্টিভিস্ট আখ্যা দিয়ে জানিপপ ও কলিমুল্লাহকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক না রাখার দাবি করা হয়।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে কলিমুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি নির্বাচনের আগেই এই দলটির পক্ষ থেকে তার ও জানিপপ-এর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ করা হয়ে থাকে।’