সংসদের বিরোধী দল নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে হানিফ বলেন, ‘আমাদের এখানে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে জাতীয় পার্টি রয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। জাতীয় পার্টি যদি বিরোধী দলে আসে, দশম জাতীয় সংসদে তারা যেভাবে গঠনমূলক ভূমিকা রেখেছে, এবারও সেরকম ভূমিকা রাখবে।’
গত সংসদের মতো এবারও জাতীয় পার্টি সরকারে থাকতে চাইলে সেক্ষেত্রে কী হবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জাবাবে হানিফ বলেন, ‘আশা করি জাতীয় পার্টি বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এতে তাদের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে।’
একাদশ জাতীয় সংসদ কার্যকর ও সফল হবে আশা প্রকাশ করে হানিফ বলেন, ‘দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গঠিত সংসদ সফল ও কার্যকর ছিল। আপনারা খেয়াল করেছেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনও অশালীন বক্তব্য ছিল না। খিস্তিখেউড় ছিল না। এবারের সংসদেও কোনও অশালীন বক্তব্য থাকবে না। এই সংসদও গতিশীল ও কার্যকর হবে।’
সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল থাকা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশেষ করে বাজেট অধিবেশনের সময় দুর্বল দিকগুলো আমরাই কিন্তু তুলে ধরেছি। আমরা চেষ্টা করেছি সেগুলো সংশোধন করে আরও জনকল্যাণমূলক হয় সেভাবে উপস্থাপন করতে। সুতরাং সংসদে বিরোধী দল থাকলেই শুধু গঠনমূলক আলোচনা হবে তেমনটি নয়।’
ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচিতরা তাদের ভোটারদের প্রতি সম্মান রেখে শপথ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন মাহবুব-উল আলম হানিফ। তিনি বলেন, ‘তাদের ভোটাররা তো তাদের সংসদে আসার জন্যেই ভোট দিয়েছে। সংসদে না আসার জন্য ভোট দেয়নি। আশা করি, তারা তাদের ভোটারদের সম্মান রক্ষা করবেন। তারা সংসদে আসবেন, তাদের কথা বলবেন, গঠনমূলক সমালোচনা করে সংসদকে প্রাণবন্ত করে তুলবেন।’