একটা টবে মালকুচিয়া গাছ, গোড়ায় লাল-সবুজ দড়ি দিয়ে পেঁচানো। গাছের ওপরে লাল গোলাপ ফুলও দিয়েছেন কয়েকটি। আওয়ামী লীগের পতাকা দিয়ে সাজিয়েছেন এক পাশ। রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তাকে চোখে পড়ে সহজেই। অন্যদের থেকে ব্যতিক্রম। সোহেলের ভাষায়, ‘এটা একটা জ্যান্ত গাছ। এটাকে আমি লালন পালন করি।’
সন্ধ্যায় বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় সোহেলের। তিনি বলেন, ‘এখন গাছ নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছি। আবার কোনও একদিন আসবো। কোনও টাকার বিনিময়ে কাউকে দেব না। এটা প্রধানমন্ত্রীকেই দিতে চাই। আমি আমার বাপের আশা পূরণ করবো। এই গাছ প্রধানমন্ত্রীকে না দেওয়া পর্যন্ত আমার শান্তি নাই। ’
গত ১০ বছর ধরে এই গাছ পরিচর্যা করছেন উল্লেখ করে সোহেল বলেন, ‘এইটা একটা জ্যান্ত গাছ। সাত বছর পালসি (পরিচর্যা), তারপর গত তিন বছর ধরে সেই গাছ কেটে কেটে নৌকা বানাইসি। এই গাছের পিছে প্রচুর শ্রম গেছে। আমার বাবার ইচ্ছে আমাকে পূরণ করতেই হবে। আমি এই গাছ প্রধানমন্ত্রীকেই দিতে চাই।’
আরও পড়ুন: জনগণ দীর্ঘদিন পর স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী