বুধবার (২৩ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে দেশের কৃষকদের দুর্দশার কারণ ও করণীয় নিয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ইউনুছ আহমদ বলেন, ‘গণমাধ্যমে উঠে এসেছে ডিজেল ও সারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে হবিগঞ্জের কৃষকরা বিপাকে। অন্যদিকে বগুড়ার সবজি চাষিরা খরচ তুলতে না পেরে বাজারে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। কৃষকের এ দুর্বিষহ অবস্থা দেশের ভবিষ্যতের জন্য কোনোভাবে ভালো খবর নয়। দারিদ্র্য ও অশিক্ষা দূর হবে না। নগরের ওপর চাপ কমবে না। বৃহত্তর জনগোষ্ঠী সুবিধাবঞ্চিত থেকে যাবে। অদূর ভবিষ্যতে দেশে কৃষক খুঁজে পাওয়া যাবে না।’
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব আরও বলেন, ‘অবকাঠামো উন্নয়ন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সুবিধা বৃদ্ধির চেয়ে কৃষককে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে লাভবান করতে সার, সেচ, বীজ বিনামূল্যে প্রদান করতে হবে।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক উপদেষ্টা আশরাফ আলী আকন বলেন, ‘দেশের কৃষকরা আজ সংকটাপন্ন, তাদের কল্যাণে কোনও সরকারই বাস্তবমুখী কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। সরকার যদি কৃষককে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তবে ‘কৃষক মুক্তির সনদ’ ইসলামী কৃষক-মজুর আন্দোলনের ১৫ দফা দাবি নিয়ে কৃষকরা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশব্যাপী আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।’
আলোচনায় অংশ নেন দলটির যুগ্ম-মহাসচিব মাহবুবুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আহমদ আবদুল কাইয়ুম ও ইসলামী কৃষক-মজুর আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম কবির।