রবিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকালে খুলনা নগরীর এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বারবার বলেছিলেন, ‘আমার ওপর আস্থা রাখুন, আমি একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেবো।’ কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ওয়াদা দিয়েও জাতির সঙ্গে তামাশা করেছেন, ওয়াদার বরখেলাপ করেছেন।’ মুমিন একই গর্তে বারবার আছাড় খায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
চরমোনাই পীর বলেন, ‘একাদশ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান ক্ষমতাসীনরা মানুষের স্বাধীন ভোটাধিকার হরণের পাশাপাশি জনগণের বাকস্বাধীনতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। একটি সভ্য ও স্বাধীন জাতি হিসেবে কিছুতেই তা মেনে নেওয়া যায় না। এমতাবস্থায় মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথে নেমে আসতে হবে। স্বাধীন ভোটাধিকারসহ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে জনগণের ক্ষোভের নিরসন না করে নির্বাচন কমিশন নতুন করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে দেশে নতুন সংকট সৃষ্টি করছে।’
প্রসঙ্গত, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন ২৯৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।