মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের আয়োজনে ‘বাংলাদেশের রাজনীতির প্রবাদ পুরুষ জননেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্মরণসভায়’ তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “নিজেকে সংবরণ করাই হচ্ছে পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন কাজ। সে কাজ তিনি রপ্ত করেছিলেন। তার কোনও স্টেটমেন্টে (বিবৃতি) কখনও অতিরিক্ত একটি বাক্য আমরা পাইনি। তিনি খুব ‘সেলফ কন্ট্রোল’ ও ‘কনফিডেন্ট’ লোক ছিলেন।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে, একজন মন্ত্রী হিসেবে মানুষের মাঝে অত্যন্ত আকর্ষণীয় একজন ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে পেরেছিলেন তিনি। এটি শুধুমাত্র সম্ভব হয়েছে তার নিরহংকারী, নির্লোভ এবং জ্ঞান ও তথ্যনির্ভর ভাণ্ডারের কারণে। আমরা যে সৈয়দ আশরাফকে দেখেছি, সেই সৈয়দ আশরাফ একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক ছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘আজ সৈয়দ আশরাফের জ্ঞানের সীমা নিয়ে আমাদের গর্ব করা উচিত। একজন ভালো রাজনীতিবিদ হতে গেলে জ্ঞানের প্রয়োজন আছে, জানার প্রয়োজন আছে। কারণ, একটি দেশের পরিচয় হচ্ছে তার রাজনৈতিক নেতাদের কোয়ালিটি (গুণ) কতটুকু আছে, সেটার ওপর। সৈয়দ আশরাফ সেভাবে নিজেকে তৈরি করেছিলেন। তিনি সবসময় বলতেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করাই ছিল আমার একমাত্র কাজ। তার গুণগুলো ধরে রেখে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দলের প্রতি ভালোবাসা, নেতার প্রতি ভালোবাসা ও নেতার প্রতি আনুগত্য ধরে রাখতে হবে। সৈয়দ আশরাফের গুণগুলো চিরদিন অমর হয়ে থাকবে।’
স্মরণসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. কামরুল হাসান খান, কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা'র সভাপতি আজিজুল হক এরশাদ প্রমুখ।