জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া এই আসনে আগামী শনিবার (৫ অক্টোবর) ভোটগ্রহণ করা হবে। ৪ লাখ ৪১ হাজার ২২৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি বিষয়ে জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রংপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জি এম সাহাতাব উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনি সামগ্রী কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: রংপুর-৩ উপনির্বাচন: ইভিএম নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উচ্ছ্বাস-শঙ্কা
তিনি জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ৪ জন পুলিশ ও ২ জন নারী সদস্যসহ ৮ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত করা হয়েছে। এছাড়া পুরো আসনে ১৮ প্লাটুন বিজিবির পাশাপাশি র্যা ব টহল দেবে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মো. মহিতুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রস্তুত রংপুরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ লক্ষ্যে ৪ স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে আনসার, পুলিশ ছাড়াও র্যা বের বিশেষ টহল জোরদার করা হয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে রয়েছে পুলিশের বিশেষ নজরদারি।
এই উপনির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে লাঙ্গল মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এরশাদের ছেলে রাহগীর আল মাহী ওরফে সাদ এরশাদ, বিএনপির প্রার্থী রিটা রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী এরশাদের ভাতিজা এইচ এম শাহরিয়ার আসিফ, গণফোরামের কাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল এবং এনপিপি-এর শহিদুল আলম।