রিজভী বলেন, ‘‘বিএসএমএমইউ-এর পরিচালক বিশ্ববিদ্যালয়ের বি-ব্লকের শহীদ ডা. মিল্টন হলে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া ভালো আছেন, চিকিৎসায় সন্তুষ্ট।’ অথচ খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠন করা মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক জিলান মিয়া সরকার বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া চিকিৎসকদের যথেষ্ট সহযোগিতা করেন। তিনি অত্যন্ত বিনয়ী। তবে, তিনি হাঁটতে পারেন না, অন্যের সাহায্য নিয়ে তাকে হাঁটতে হয়। তার আরও চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু চিকিৎসক হিসেবে নানা অসুবিধার কারণে আমাদেরও প্রতিদিন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হয় না।’’
খালেদা জিয়ার এই চিকিৎসকের সঙ্গে মেডিক্যালের পরিচালকের বক্তব্য মিলছে না অভিযোগ করে রিজভী বলেন, ‘পরিচালক সরকারের শেখানো কথাই বলছেন। পরিচালকের বক্তব্যে এটি সুস্পষ্ট যে, ভয়ানক অসুস্থ ৭৫ বছর বয়সী খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি রেখে বিনা চিকিৎসায় তিলে তিলে নিঃশেষ করার মহাআয়োজন চলছে।’
বিএনপির এই নেতার অভিযোগ, ‘পরিচালকের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর মনোভাবই প্রতিফলিত হয়েছে। পরিচালকের বক্তব্যের অনেকাংশই এখতিয়ার বহির্ভূত। কারাবন্দি ও ভীষণ অসুস্থ দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রভূত ও নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধিকারী শেখ হাসিনার মতোই পরিচালকের বক্তব্যও অযাচিত, অগ্রহণযোগ্য, অসৌজন্যমূলক, পূর্বকল্পিত, বিভ্রান্তিকর ও কুৎসামূলক।’
প্রতিদিনই খালেদা জিয়ার শরীর ভেঙে পড়ছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে। উন্নত চিকিৎসার অভাবে তিনি এখন প্রতিনিয়ত চলৎশক্তিহীন হয়ে পড়ছেন।’ সরকার খালেদা জিয়া কোনোভাবেই মুক্তি না দিয়ে কারাগারে রেখেই হত্যার নীলনকশা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।