এছাড়া, সহ-সভাপতি পদে পাঁচ জনের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এরমধ্যে একজন নারী রয়েছেন। তারা হলেন মুহাম্মদ আলম, আবুল বাসার, আবদুল গফুর, নূরে আলম রহু ও নাসরিন সুলতানা।
মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আবদুল আলিম, টিপু সুলতান ও রফিকুল ইসলাম রফিক।
রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটশন মিলনায়তনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘শৃঙ্খলার অভাব রয়েছে। আমাদের প্রতিটি সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়েছে শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে। কিন্তু এখানে মনে হচ্ছে এই সংগঠনে কর্মীর চেয়ে নেতা বেশি। সত্যিকার অর্থে মৎস্যজীবীদের প্রতিনিধি পেছনে পড়ে আছেন। ঢাকায় বসে যারা নেতৃত্ব করেন, তারা মঞ্চ দখল করে আছেন—এটা কিন্তু ঠিক নয়। এভাবে সংগঠন টিকবে না। সত্যিকারের যারা মৎস্যজীবী তারা প্রতিনিধিত্ব করতে না পারলে, এ ধরনের লীগ করার, এ ধরনের দোকান খোলার কোনও প্রয়োজন নেই। মৎস্যজীবী লীগে সত্যিকার অর্থে মৎস্যজীবীদের প্রতিনিধিত্বশীল নেতৃত্ব দরকার। কোনও চাঁদাবাজের দোকান আমরা খুলতে চাই না। মৎস্যজীবীদের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই, ঢাকায় বসে কার্ড বানিয়ে জায়গায় জায়গায় গিয়ে চাঁদাবাজি করবে, এমন নেতার দরকার নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাজেই এবার সবাইকে সাবধান থাকতে হবে। মাদক-সন্ত্রাস, জমি দখল ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতরা এ সংগঠনে থাকতে পারবে না। আমি স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই—মৎস্যজীবীর নামে যারা মৎস্যজীবীদের ওপর ক্ষমতার দাপট দেখাবে, তাদের আমরা নেতৃত্বে রাখবো না।’
এরপরই আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কার্যকরী তিনটি পদ সভাপতি, কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য প্রস্তাবনা আহ্বান করেন। সেখানে সভাপতি পদে পাঁচ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৩৮ জনের নাম প্রস্তাব আসে। এরপর প্রথম অধিবেশন শেষ করে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরুর ঘোষণা দেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের নিজেদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব নির্বাচনের আহ্বান জানান। কিন্তু তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ে ব্যর্থ হলে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার পরামর্শে মৎস্যজীবী লীগের নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের।