প্রসঙ্গত, গত ১৭ ডিসেম্বর দিনাজপুরে এক অনুষ্ঠানে নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা রাজাকার ছিলেন।’
এই প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘একাত্তর সালের এপ্রিল মাসে মির্জা রুহুল আমিন ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতের পশ্চিম দিনাজপুরের ইসলামপুর অবস্থান করেন। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে তার কাজ করা বা রাজাকারের তালিকায় নাম লেখানোর কোনও সুযোগই ছিল না। সেই কারণে তার নাম কোনও তালিকাতেই নেই।’
রিজভী আরও বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তার আত্মীয়-স্বজনরা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। তার চাচা উইং কমান্ডার (অব.) এস আর মির্জা প্রবাসী সরকারের মুক্তিযোদ্ধা রিক্রুটমেন্ট বিভাগের পরিচালক ছিলেন। আরেক চাচা বাবলু মির্জা ও তার ভগ্নিপতি ড. আবুল কালাম মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।’ মির্জা ফখরুল ইসলামের বড় মামা আবু জাহেদ ইবনে ইউসুফ দিনাজপুর জেলা স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদের শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন বলেও তিনি জানান।