এসময় প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়তে পারিনি। কিন্তু এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার বাবা এবং বোন পড়াশোনা করেছেন। সে হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির সঙ্গে আমাদের পরিবাবারের আত্মার সম্পর্ক রয়েছে।’ নির্বাচিত হলে তিনি এই এলাকার মানুষের সমস্যা সমাধানে কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপিপন্থী শিক্ষক সংগঠনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যাপক মোরশেদ হাসান খান, পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুল হক খোকন এবং সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল প্রমুখ।
এসময় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ‘মুক্তি মুক্তি মুক্তি চাই খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’, ‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’, ‘ভোট চাই ভোটারের দোয়া চাই সকলের’, ‘মাগো তোমার একটি ভোটে খালেদা জিয়া মুক্তি পাবে’ স্লোগান দেন।
ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবন বলেন, ধানের শীষের পক্ষে যে জোয়ার এসেছে এ জোয়ার কোনোভাবেই দমানো সম্ভব নয়। কোন ষড়যন্ত্রই এ গাজোয়ার থামাতে পারবে না। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সকল ষড়যন্ত্র বাধা মোকাবিলা করতে প্রস্তুত রয়েছি।
ঢাবি ভিসির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় এবং গণসংযোগে ইশরাকের সঙ্গে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান রতন, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাজীব আহসান, সিনিয়র সহ সভাপতি কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিনহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি: নাসিরুল ইসলাম ও সিরাজুল ইসলাম রুবেল