রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকালে রবের রাজনৈতিক সচিব শহীদুল্লাহ ফরায়েজী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।
বিবৃতিতে রব বলেন, ‘করোনার সৃষ্ট সংকট জাতীয় এবং বৈশ্বিক সংকট। বিদ্যমান এই ভয়াবহ সংকট থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার কথা উচ্চারিত হচ্ছে। কিন্তু গতানুগতিক রাজনৈতিক ঐক্যের মাধ্যমে এই দুর্যোগ মোকাবিলা সম্ভব নয়। প্রয়োজন ভিন্ন দ্যোতনার এবং কার্যকরী ঐক্য গড়ে তোলা।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে চিকিৎসক, এপিডেমিওলজিষ্ট, গবেষক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, ওষুধ প্রস্তুতকারী, বিক্রেতা, পরিবেশক, হাসপাতাল মালিক, ব্যবস্থাপক, সংবাদপত্রসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নীতি প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সম্পৃক্ত করতে হবে।’
এই যুদ্ধের সম্মুখ ভাগে রয়েছেন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদন ও পরিবহনে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ বলে উল্লেখ করে আসম রব বলেন, ‘কৃষি, পোলট্রি, ডেইরিসহ সংশ্লিষ্ট সবাই এই সংকটে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। নিয়োজিত রয়েছেন ইন্টারনেট প্রকৌশলী, হাসপাতাল নির্মাণ ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার কর্তৃক নিয়োজিত এবং পাড়া-মহল্লাভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা কর্মী। অগ্রণী ভূমিকায় আছেন প্রশাসন ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনার কাজে নিমগ্ন অগণিত কর্মী। এদের নিয়ে প্রতিনিধত্বশীল সমন্বয় কমিটি গঠন করতে হবে।’
নীতি প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণেরও প্রতিটি ধাপে সবার অংশগ্রহণ জরুরি বলেও মনে করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এই নেতা। তিনি বলেন, ‘সমাজের সব শক্তি অবস্থানগতভাবে লকডাউনে থেকেও চিন্তা, প্রেরণা আর কর্মের মাধ্যমে জাতীয় উদ্যোগে কী ভূমিকা রাখতে পারে, তার উপায় উদ্ভাবন করতে হবে।’