রিজভী বলেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড কোনও সরকারের নিদর্শন হতে পারে না। যারা ফ্যাসিবাদী, স্বৈরাচার, মানুষের কথা শুনতে পারে না, তারা এ ধরনের জঘন্য কাজ করতে পারে।
৫০ লাখ মানুষকে আর্থিক সহায়তা কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গে টেনে রিজভী বলেন, এখানেও চলছে বাটপারি, ৪০ জনের টাকা যাবে একজনের বিকাশ নম্বরে। সেটা একজন মেম্বারের নম্বর। এখানেও গরিব ও অসহায় মানুষ বঞ্চিত, সব নেতাদের আত্মীয়-স্বজনের নাম। তাহলে যারা গরিব মানুষের টাকা চুরি করে আত্মসাৎ করে এরা কি মানুষ? এদের জনগণের প্রতি কোনও মায়া থাকতে পারে না। এদের মানুষের প্রতি কোনও দরদ নেই বলেই আজকের ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
শুধু আওয়ামী লীগ নয় ত্রাণ আত্মসাতে প্রশাসনের লোকও জড়িত বলে অভিযোগ করেন রিজভী। তিনি বলেন, প্রশাসন মনে করে সরকারকে তারা ক্ষমতায় বসিয়েছে। আমরা যত চুরি, ডাকাতিই করি না কেন সরকার আমাদের কিছু বলবে না।
চিকিৎসা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আরও বলেন, চিকিৎসার অভাবে মানুষ মারা যাচ্ছে। রাস্তাঘাটে লাশ পড়ে থাকছে। ৯০ পার্সেন্ট হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার নাই। সরকার স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংস করে দিয়েছে। নেতাকর্মীদের পকেট ভারী করার জন্য তারা করেছে ফ্লাইওভার। তারা তৈরি করেছে ক্যাসিনো। তাদের নেতাদের অফিসে হাজার হাজার কোটি টাকা পাওয়া যায়।