হাছিবুল ইসলাম বলেন, ‘করোনা সৃষ্ট বৈশ্বিক বিপর্যয়ে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ অর্থনৈতিক দৈন্যতার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। দেশের মানুষ অর্থাভাবে তিন বেলা খাবার খেতে পারছে না। এজন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলায় সাধারণ মানুষের অনীহা রয়েছে। উপসর্গ নিয়েও পরীক্ষা করাচ্ছে না এমন তথ্যও অহরহ। এ পরিস্থিতিতে নমুনা পরীক্ষায় ফি আরোপ করার কোনও কারণ নেই, বরং এতে স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির নতুন দ্বার উন্মোচন করে দেওয়া হচ্ছে কিনা তা এখনই ভেবে দেখা দরকার।’
ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি বলেন, ‘করোনাকালে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা ডাকাতিতে নেমেছেন। স্বাস্থ্যখাত দুর্নীতির রেকর্ড ভঙ্গ করেছে, চিকিৎসাদানে অবহেলা চরমে।’
সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল করীম আকরামের সঞ্চালনায় পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন– কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুল জলিল, জয়েন্ট সেক্রেটারি আব্দুজ্জাহের আরেফী, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ আল-আমীন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ইউসুফ আহমাদ মানসুর, প্রচার ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক কেএম শরীয়াতুল্লাহ প্রমুখ।