বিএনপির মহাসচিব বলেন, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, আমরা এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চাই। এজন্য তাদের বাংলাদেশে ‘গুম’ ও বিচারবহির্ভূত হত্যা ঘটনাবলীর তদন্তে একটি জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি কমিশন গঠন করা উচিত।
২০০৯ সাল থেকে ‘গুম’ হওয়ার ঘটনাসমূহ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্দেশে সংবাদ ব্রিফিং এবং এর খসড়া জাতিসংঘের কাছে প্রেরণের কথাও উল্লেখ করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, এই ঘটনাগুলো সম্পর্কে আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সংবাদ সম্মেলন করে ব্রিফিং করেছি। আমাদের দলীয় প্রধান এর খসড়া জাতিসংঘকে পাঠিয়েছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক কোনও অ্যাকশন এখন পর্যন্ত নেওয়া হয়নি।
ওয়েবিনারে বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নিপীড়ন-নির্যাতন সম্বলিত মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন। দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের সঞ্চালনায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক শাহিদুজ্জামান, ১৯৭৪ সালে গুম হওয়া ন্যাপ নেতা আবু বকর জাফর উদ-দৌলা দিপুর বোন ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য তরিকুল ইসলামের স্ত্রী অধ্যাপক নার্গিস বেগম, ২০১৭ সালে গুম বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক সাংসদ এম ইলিয়াস আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আবরার ইলিয়াস, ২০১৩ সালে গুম হওয়া ঢাকার ৩৮ নং ওয়ার্ডের নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম ও গুম হওয়া লাকসাম পৌরসভার সভাপতি পারভেজ কবির হীরুর স্ত্রী শাহনাজ আখতার বক্তব্য রাখেন।
ওয়েবনিয়ারে ঢাকাস্থ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিসহ বিএনপি নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টু, অনিদ্র্য ইসলাম অমিত, তাবিদ আউয়াল, জেবা আহমেদ, মীর হেলাল, ফারজানা শারমিন, জাহিদুল আলম হিটো, জুয়েল মণ্ডল, ইয়াসীর খান চৌধুরী প্রমুখ যুক্ত ছিলেন।