মান্না বলেন, ‘আমরা ১৬ ডিসেম্বরে বিজয় অর্জন করেছিলাম। সেই বিজয় কতখানি ধরে রাখতে পেরেছি, আর এখনও পর্যন্ত বিজয়ের সেই সুর কতখানি আছে, অন্যরা বলেছেন। কিন্তু আমাদের সবচেয়ে বড় দরকার ছিল মুক্তিযুদ্ধ করার। মানুষের কথা বলার অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, মৌলিক অধিকার— সেটা এই মাসের শেষ দিনের ঠিক আগের দিন ৩০ ডিসেম্বর যে ভোট হওয়ার কথা ছিল, তার আগের রাতে ডাকাতি করে ওরা নিয়ে গেছে। দুই বছর প্রায় পূর্ণ হলো সেই অধিকার ফিরিয়ে আনতে পারিনি! অতএব, এই মাসকে একইসঙ্গে আমি যত বেশি সাফল্যের কারণে উদ্ভাসিত মনে করি, ঠিক ততখানি আমি পরাজয় ও গ্লানিবোধের মনে করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে নৈতিকতা বিষয়টা মানুষ চর্চাই করে না। নৈতিকতা সবচেয়ে বেশি চর্চা করার কথা তো বিচারকদের। যারা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন, ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করবেন। আমাদের সংবিধানে যে সামাজিক ন্যায়বিচারের কথা বলা হয়েছে, তারা সেই সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার কথা বলবেন। এখন এই বিচারকরা যদি সব আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে দেন, আওয়ামী লীগের মিছিল করতে থাকেন, তাহলে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবে কে?’
সংগঠনের চেয়ারম্যান কে এম আবু তাহেরের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মনির হোসেন কাসেমী, ইসলামী ঐক্যজোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা শওকত আমীনসহ প্রমুখ বক্তব্য দেন।