বুধবার বিকেলে এক বিবৃতিতে জামায়াত নেতা বলেন, আমি স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই যে, প্রধানমন্ত্রী ‘গত বছর অবরোধ আন্দোলন চলাকালে বিএনপি ও জামায়াত জোটের পেট্রোল, বোমা হামলায় ২৩১ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। ১১৮০ জন আহত হয়েছেন। ২ হাজার ৯০৩টি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। ১৮টি রেল গাড়ি ও ৮টি লঞ্চে আগুন দিয়েছে। সরকারি অফিস, স্থাপনা ও ভূমি অফিস পুড়িয়ে দিয়েছে বলে যে সব অভিযোগ করেছেন তার কোন সত্যতা নেই। তথ্য প্রমাণ ছাড়াই তিনি এসব ঢালাও অভিযোগ করেছেন।
ডা. শফিক বলেন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে কটাক্ষ করে যে সব মন্তব্য করেছেন তা তার দোষারোপের রাজনীতিরই অংশমাত্র।
শফিকুর রহমান বলেন, জাতি আশা করেছিল যে, প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে জাতীয় ঐক্য এবং সংহতি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার ব্যাপারে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের আহ্বান জানাবেন। কিন্তু তিনি তা না করে বিরোধী দল বিশেষ করে জামায়াত ও বিএনপিকে দোষারোপ করে যে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছেন তাতে দেশবাসী হতাশ হয়েছেন।
তার দাবি, সরকার তথাকথিত যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদেরকে হত্যা করে দলটিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছেন। দেশে-বিদেশে কোথাও এ বিচারের গ্রহণযোগ্যতা নেই।
শফিকুর রহমান দাবি করেন, সরকার কণ্ঠ চেপে ধরে গণমাধ্যমকে হত্যা করছে। আর জাতির উদ্দেশ্যে বলা হচ্ছে, গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে সমালোচনা করতে পারছে।
ডা. শফিক আরও বলেন, দেশের উন্নয়নের কোনও চিত্র জাতির সামনে নেই। দেশের রাস্তাঘাটের বেহাল দশা।দরিদ্র ভূমিহীন ও বেকারের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। শিল্প-কারখানায় উৎপাদন নিম্নমুখী। এ থেকেই প্রমাণিত হয় যে, জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান মন্ত্রীর ভাষণের সঙ্গে বাস্তবতার কোন মিল নেই।
এসটিএস/এমএসএম