মাহফুজ আনামের উদ্দেশে নাসিম বলেন, আপনি শিক্ষিত মানুষ, আপনার স্মরণ আছে। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছিল ‘নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ডের’ সাময়িকী ‘স্টার নিউজ’। পরে এ সংবাদ পরিবেশনের কারণে পদত্যাগ করেছিলেন সাময়িকী সম্পাদক রেবেকা। সঙ্গে-সঙ্গে ভুল স্বীকার করে পদত্যাগ করেছিলেন নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ডের সম্পাদকও। আমি মনে করি, ওই সম্পাদকের মতো ভুল স্বীকার করে আপনারও পদত্যাগ করা উচিত।
নাসিম বলেন, প্রখ্যাত সাংবাদিক মাহফুজ আনাম শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে ভুল সংবাদ প্রকাশ করেছিলেন, তা স্বীকার করেছেন। এ স্বীকারের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, তিনি ওই সময় শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের পটভূমি তৈরি করেছিলেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুষ্টুগ্রহ। এই দুষ্টুগ্রহের কবল থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে না পারলে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা পদে-পদে বিঘ্নিত হবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বপ্ন নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ৭১-এর খুনিদের রায়ের বিরুদ্ধে পাকিস্তান জাতীয় সংসদে নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপিত হওয়ায় প্রমাণিত হয়েছে, বিএনপি ও জামায়াত পাকিস্তানের এজেন্ট। পাকিস্তান এখনও ৭১-এর পরাজয় ভুলতে পারেনি। তাই একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিএনপি-জামাতকে দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের কোনও ষড়যন্ত্র স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না।
যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, যুবনেতা মুজিবর রহমান চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান হিরণ, আনোয়ারুল ইসলাম, মোতাহার হোসেন সাজু, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, ইসমাইল হোসেন, কাজী আনিসুর রহমান, রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, মনিরুল ইসলাম হাওলাদার প্রমুখ।
/পিএইচসি/এমএনএইচ/