শুক্রবার দলের এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
তিনি বলেন, বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে দলীয় প্রতীকে ইউনিয়ন পরিষদসহ যেকোন স্থানীয় সরকার নির্বাচন তৃণমূলে সামাজিক বন্ধন বিনষ্ট করবে।পরিবার, গ্রাম,পাড়া-মহল্লায় সর্বত্র দলীয় রাজনীতির সংঘাত ছড়িয়ে পড়বে। বিএনপি আরও বিশ্বাস করে গণতন্ত্রের পথ চলাকে বিপথে চালিত করার জন্যই সরকারের মদদে নির্বাচন কমিশন এই অযৌক্তিক ও অসময়োচিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
রিজভী বলেন, ভয়াবহ দমন-পীড়ন ও ভোটারদের ভোট প্রদানের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও সেই ক্ষুদ্র পরিসর সম্প্রসারিত করার আন্দোলন হিসেবে বিএনপি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে অংশ নেবে।
রিজভী জানান,একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত করা এক ব্যাপক কর্মযজ্ঞের বিষয়। নির্বাচন পরিচালনাও এক ব্যাপক কর্মকাণ্ড।উভয় বিষয়ে দলের নেতা-কর্মীরা ব্যাপকভাবে ব্যস্ত থাকেন। বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলের পরের দিন পৌরসভা ও ২দিন পরে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলকে জনমনে বিভ্রান্ত করার জন্যই অশুভ উদ্দেশ্য নিয়েই নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করেছে।
এসটিএস/এমএসএম