বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-নাগরিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের অবসান হলেও আর যাতে নতুন করে কোনও স্বৈরাচারের জন্ম হতে না পারে সেজন্য মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। তারা বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৩ বছরের আমাদের সংবিধান ১৭ বার সংশোধন হলেও জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা সম্ভব হয় নাই।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেস্বর) ১১ সেপ্টেম্বর মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক উত্তরসূরী ও বাংলাদেশ ন্যাপ‘র সাবেক চেয়ারম্যান এবং প্রাক্তন মন্ত্রী জননেতা শফিকুল গানি স্বপনের ৭৬তম জন্মবার্ষিকীতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এসব কথা বলেন।
নেতারা শফিকুল গানি স্বপনের অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, দেশবিরোধী সব চক্রান্ত প্রতিরোধে শফিকুল গানি স্বপনের প্রদর্শিত পথে জাতীয় ঐক্যের রাজনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ‘রাষ্ট্র সংস্কারের’ প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টি করতে হবে।
তারা বলেন, বর্তমানের সাংবিধানিক কাঠামোই একনায়কতন্ত্রের জন্ম দিয়ে থাকে। প্রধানমন্ত্রীর হাতে অভাবনীয় ক্ষমতা, যা সব শাসকই কম বেশি অপব্যবহার করেছেন। আর পতিত স্বৈরাচারী সরকার এর ব্যবহার করেছে সর্বোচ্চ। এছাড়া সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদে ‘ক’ ধারায় এমন কিছু জিনিস আনা হয়েছে, যেটি সংশোধন করার সুযোগ নেই। সেজন্য ঐক্যমত্য ছাড়া সংবিধান সংস্করণ বা পুনর্লিখনের আর কোনও উপায় নেই। দেশে গোঁজামিল দিয়ে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে বারবার। আবারও গোজামিল দিয়ে সংবিধান সংশোধন করলে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান অর্থাৎ জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণই থেকে যাবে।
আগামীকাল শফিকুল গানি স্বপনের ৭৬তম জন্মবার্ষিকী
আগামীকাল বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক উত্তরসূরী, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ‘র সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রাক্তন মন্ত্রী জননেতা শফিকুল গানি স্বপনের ৭৬তম জন্মবার্ষিকী।
প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক চেতনার মেধাবী রাজনীতিক জননেতা শফিকুল গানি স্বপন ১৯৪৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রংপুর, নীলফামারী জেলার সদরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মশিউর রহমান যাদু মিয়া। মা মরহুমা সাবেরা রহমান।
মত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ-এর চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০০৯ সালের ২৩ আগস্ট তিনি মারা যান।