গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, ‘সেনাপ্রধানকে কৈফিয়ত দিতে হবে—এই হামলা আপনার নির্দেশনায় হয়েছে নাকি অগোচরে হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে হবে, এই হামলা কি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশে হয়েছে নাকি আপনার নির্দেশনায় হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে হবে। সরকারকে জবাব দিতে হবে, বিচার করবেন কি না।’
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় ঢামেকে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি আজ শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল ও বিকাল ৩টায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ঘোষণা করেছেন।
তিনি বলেন, ‘যখন আমরা রাত সাড়ে ৯টায় প্রেস ব্রিফিং শুরু করতে যাচ্ছি। তখন সেনাবাহিনী, পুলিশ অতর্কিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালায়। নুরুল হক নুরের ওপর হামলা চালায়। তার নাক ফেটে গিয়েছে, চোখে আঘাত লেগেছে। অন্তর্বর্তী সরকারকে জবাব দিতে হবে নুরুল হক নুর আইসিইউতে কেনো।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা আমাদের বলে আপনারা কর্মসূচি শেষ করে দেন। আমরা তাদের বলি, প্রেস ব্রিফিং করে শেষ করে দেবো। কিন্তু প্রেস ব্রিফিং চলা অবস্থায় সেনাবাহিনী যে এগ্রেসিভভাবে হামলা করেছে আমরা বিচার দাবি করছি। আমাদের কার্যালয়ে ঢুকে হামলা করা হয়েছে। আজ কোন সাহসে জাতীয় পার্টি মিছিল করে। নুরুল হক নুর কি জাতীয় পার্টি কার্যালয়ের সামনে গিয়েছে, আমি কি জাতীয় পার্টি কার্যালয়ের সামনে গিয়েছি। তাহলে কেনো আমাদের কার্যালয়ের সামনে এসে সেনাবাহিনী, পুলিশ হামলা চালালো।’
রাশেদ খন বলেন, ‘আমরা বারবার বলছি, সেনাবাহিনী সংস্কার করতে হবে, পুলিশ বাহিনী সংস্কার করতে হবে, সচিবালয় সংস্কার করতে হবে। এই সরকার এক বছরে আওয়ামী লীগকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে। যার ফলাফল আজ আপনারা দেখলেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রেস সচিবকে বলেছি, জাতীয় পার্টিকে আপনারা নিষিদ্ধ করবেন কি না। সেনাবাহিনী, পুলিশ যারা হামলায় জড়িত তাদের বিচার করবেন কি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘নুরুল হক নুরের অবস্থা শোচনীয়। তার খিঁচুনি উঠেছে। তিনি বাঁচবেন কি না আমরা জানি না। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে শতাধিক নেতাকর্মী ভর্তি হয়েছেন।’