পরে তারা দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। এ সময় তারা সরকারবিরোধী আন্দোলনে মীর নেওয়াজ আলীর ভূমিকা তুলে ধরে সংগঠনকে শক্তিশালী করার স্বার্থে তাকে সাধারণ সম্পাদক করার দাবি জানান।
যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ আবেদিন প্রিন্স বলেন,যুবদলকে একটি শক্তিশালী এবং আন্দোলন সংগ্রামে কার্যকরী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে মীর নেওয়াজ আলীর বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, হামলা-মামলা এবং হুলিয়া নিয়েও তিনি (মীর নেওয়াজ আলী) মাঠের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন, তাদের পাশে থেকেছেন। অন্যদের মতো মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে পালিয়ে বেড়াননি। এমনকি মহাসচিব জেলে গেলে তার মুক্তির দাবিতে কোথাও বিক্ষোভ মিছিল না হলেও মীর নেওয়াজ আলীর নেতৃত্বে মিছিল হয়েছে। মীর নেওয়াজ আলীকে যুবদলের নেতৃত্বে না আনা হলে সংগঠনটি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং রুহুল কবির রিজভী যুবদলের নেতাকর্মীদের দাবি মন দিয়ে শোনেন এবং এ বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সহস্রাধিক নেতাকর্মী এই দাবিতে মিছিল করেন। মিছিল থেকে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।একই সঙ্গে মীর নেওয়াজ আলীর মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানান তারা।
যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমজাদ হোসেন এবং কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ আবেদিন প্রিন্সের নেতৃত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাবুল আহমেদ, মঈনুল ইসলাম হিটু, তাইজুদ্দিন সাগর, জিএস বাবুল, সেলিম রেজা, ফরিদ আহমেদ প্রমুখ।
এসটিএস/এমএসএম