কিন্তু কেন সবার সঙ্গে না হয়ে আলাদা তার নাম-জানতে চাইলে ডা. সাখাওয়াত হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এটা তো আমি জানি না। যারা দিয়েছেন তারা বলতে পারবেন। তবে জীবন এও বললেন, আমি তো একেবারে পদের জন্যই বিএনপি করি, বিষয়টা এমন না। আমি পদ পেলেও দল করি, না পেলেও করি।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে ফোন করা হলে রুহুল কবির রিজভী ফোন রিসিভ করেননি।
বিএনপির নির্ভরযোগ্য দু’জন নেতা জানান, মূলত ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদী লুনাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করার চাপ ছিল। ইলিয়াস আলী বলয়ের অনেকেই বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের চাপ দিচ্ছিলেন বিএনপির হাইকমান্ডকে।
তবে আরেকটি সূত্র জানায়, ইলিয়াস আলীর বিষয়টি সূরাহা না করে সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক করা যেত না। শনিবার সারাদিন এ নিয়ে বিএনপির মধ্যে ছোটখাট ঝড় বয়ে যায়। তবে যেহেতু ইলিয়াস আলী সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য কারও কাছে নেই, এ কারণে তাকে বিএনপির এখন পর্যন্ত ঘোষিত হয়নি, এমন কোনও একটি পদে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি তার স্ত্রী লুনাকেও নতুন কোনও দায়িত্বে আনতে পারেন খালেদা জিয়া।
সূত্র জানায়, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নতুন মনোনীতদের মধ্যে বরিশালে শিরিন ও ফরিদপুরে শ্যামা ওবায়েদ রাখায় আরও কোনও নারীকে নেওয়া হবে না। এই অবস্থায় সাখাওয়াত হাসান জীবনকেই চূড়ান্ত করা হয়েছে। এছাড়া জীবনের জন্য বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও আগ্রহী ছিলেন বলে এই সূত্রের দাবি। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে সাখাওয়াত হাসান জীবন কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এসটিএস/এমএসএম