এবার এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন তিনি।
সেখানে রাশেদ খাঁন বলেন, আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আওয়ামী ব্যবসায়ী ও ডামি এমপিদের প্রটেকশন দিয়েছে! অন্তত একজন আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে সে পুনর্বাসন করেছে, সেটা আমি জানি। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আসিফ মাহমুদকে আমি সরাসরি কয়েকবার সতর্ক করেছি। কিন্তু সে তোয়াক্কা করেনি! এ বিষয়টা এনসিপির প্রত্যেক নেতা জানে। আমি তখন আসিফ মাহমুদের এ বিষয়টা তাদের জানালে তারা বলতো, ভাই আসিফ তো আমাদের কেউ না! তার সঙ্গে এনসিপির কোনও যোগাযোগ ও সম্পর্ক নেই! দুর্নীতি ও বিতর্কের দায় না নিতে নাহিদ ইসলাম তো বহুবার গণমাধ্যমে বলেছে, দুজন ছাত্র উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির কোনও সম্পর্ক নেই!
তিনি বলেন, আসিফ মাহমুদ একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছিল। যে তথ্য আমি নিজে জানি। এছাড়া সে সময় আসিফের এপিএস মোয়াজ্জেম বেশকিছু তথ্য আমার কাছে আসে। এ দুজনের বিষয়ে আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আরেকজন উপদেষ্টাকে অবহিত করেছিলাম। তিনি আমার দেওয়া তথ্য পেয়ে উত্তরে বলেছিলেন, ‘আমরা যে বেতন পায়, সেটা দিয়ে চলতে পারি না, আর ওরা মানুষকে লাখ লাখ টাকা দেয়! স্বাভাবিক বেতন থেকে এটা দেওয়া যায়?’
রাশেদ খাঁন লেখেন, দেখেন, নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেনসহ সিনিয়র নেতারা কেন আসিফ মাহমুদের পাশে শক্তভাবে দাঁড়ায় না? কারণ তারা সবাই এসব তথ্য জানে! চোরের মায়ের বড় গলা, দুর্নীতির বরপুত্র আসিফ মাহমুদের অবস্থাও সেরকম হয়েছে!