আওয়ামী সুবিধাভোগীদের শেল্টার দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এনসিপির নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি কি না নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রসঙ্গ টেনে এমন প্রশ্ন ছুড়েছেন প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। আজ রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশ্ন করেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, আওয়ামী লীগের শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর আবদুস সবুর লিটনের মালিকানাধীন সিগারেট উৎপাদন কোম্পানি ‘তারা ইন্টারন্যাশনাল টোব্যাকো’র নাম বদলে ‘জেনুইন লিফ টোব্যাকো লিমিটেড’ রাখা হয়েছে। আওয়ামী লীগের এই সিগারেট কোম্পানি নেপথ্যে থেকে পরিচালনা করছে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী।
তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির তদন্ত করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি)। পট পরিবর্তনের পর আওয়ামী ঘনিষ্ঠ এ কে এম জিয়া উদ্দিন প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে এমডি বনে যান। পরে এই ব্যক্তি চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়কের পাদ পান। তিনি প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারীর শরণাপন্ন হন। নিশ্চয়ই তুষার ভূঁইয়া ও প্রাডো গাড়ি কাণ্ডের কথা কেউ ভুলে যাননি! অর্থাৎ আওয়ামী সুবিধাভোগীদের শেল্টার দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া কি তাহলে এনসিপির নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি?
রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, কেন কুষ্টিয়ার ঘটনায় এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী চুপ, এখন বুঝতেছেন? নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর আওয়ামী প্রতিষ্ঠান শেল্টার দেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর কুষ্টিয়ার এনসিপির নেতারাও আর দায় নিতে রাজি হয়নি। এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারাও বিষয়টি জানার পর চুপ হয়ে যায়! এখন দেখা যাক এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এ বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয় কি না? নাকি এই সিগারেট কোম্পানি থেকে উপার্জিত অর্থের ভাগ নাহিদ ইসলাম পর্যন্তও যায় বলে এ ঘটনায় চুপ থাকবে এনসিপি?