ডিএনসিসিতে জয়ের যোগ্য প্রার্থী দেবো: ওবায়দুল কাদের

ওবায়দুল কাদের (ফাইল ছবি)ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ের যোগ্য প্রার্থী দেবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তার কথায়, ‘জিততে পারে এমন যোগ্য প্রার্থীকেই আমরা মনোনয়ন দেবো।’ মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) জাতীয় অর্থোপেডিক ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আঁখিমণি নামের এক জন্মগত প্রতিবন্ধী রোগীর দায়িত্ব নিয়েছেন সেতুমন্ত্রী। মঙ্গলবার মেয়েটির শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে পঙ্গু হাসপাতালে যান তিনি।
এদিকে আনিসুল হকের মৃত্যুর রেশ না কাটতেই ডিএনসিসি নির্বাচনের আলোচনা অশোভন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী।’ এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, “নির্বাচনি নিয়মনীতি অনুযায়ী ডিএনসিসি’র মেয়র পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। এখানে আওয়ামী লীগ নাক গলায়নি। এক্ষেত্রে সরকারের তাড়াহুড়োর বিষয়ও নেই। প্রক্রিয়া অনুযায়ী নির্বাচন হবে। আমার মনে হয়, বিএনপির নির্বাচনে যাওয়ার প্রস্তুতি নেই। এ কারণে তারা এ ধরনের কথা বলছে।’


২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন চান না বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তার কথায়, ‘অনেকবার বলেছি, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন চাই। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন না হলে আজ শুনতে হতো না, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এতজন নির্বাচিত হয়েছে। এটা তো আমরা চাইনি। যেহেতু বিএনপি নির্বাচনে আসেনি তাই অনেক আসনে একক প্রার্থী ছিল, তাই নিয়ম অনুযায়ী তাদের বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। নিজস্ব প্রক্রিয়ায় এটি চলবে। নির্বাচন তারাও চান, আমরাও চাই।’

বিএনপির অভিযোগ— রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য সরকার চুক্তি করেছে, অন্যদিকে পুনর্বাসনের জন্য ভাষানচরে অস্থায়ী প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহনমন্ত্রীর ভাষ্য, ‘আমরা প্রত্যাবাসন চাই। এটি একটি সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। উখিয়া-টেকনাফের জনসংখ্যা সাড়ে চার লাখ। সেখানে রোহিঙ্গা এসেছে সাড়ে ১০ লাখ। তাদেরকে সেখানে তাঁবুতে রাখা হচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন কিভাবে রাখা সম্ভব? এ কারণে আমাদের সাড়ে চার লাখ জনগণ উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কিত। প্রকৃতিও হুমকির মুখে।’

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে কক্সবাজারের অভিজাত একটি হোটেলে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ ও নগদ টাকা সংগ্রহের সময় ছিলেন সেতুমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আমার গতকালের সফর ছিল স্থানীয়দের সান্ত্বনা দেওয়া। আমরা যে প্রত্যাবাসনের (রোহিঙ্গা) ব্যবস্থা নিচ্ছি সেই ব্যাপারে তাদের আশ্বস্ত করা। এ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বিলম্বিতও হতে পারে। এত লোককে স্থানান্তর না করলে আমাদের পর্যটন শিল্পও হুমকির মুখে পড়বে। সেখানের স্থানীয় অর্থনীতি প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়বে।’