বুধবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে যখন ঢাকা শহরে তাণ্ডব চালানো হয়েছিল তখন এই শহিদুল আলম ছবি বিকৃত করেছিল। এখানে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে বলে তা দেশে-বিদেশে প্রচার করেছিলেন তিনি। তিনি একজন আলোকচিত্র শিল্পী, ছবি বিকৃত করা তার পক্ষে সহজ, সেই কৌশলটা তিনি জানেন ভালো করে। কোটা আন্দোলনের সময়ও তিনি বিদেশে ভুল, মনগড়া, বিকৃত তথ্য সরবরাহ করেছেন। সর্বশেষ নিরাপদ সড়কের দাবিতে আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে তিনি সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেওয়ার জন্য, দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এবং নানা ধরনের পোস্ট দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘কেউ যদি কোনও নামকরা মানুষ হয়, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন হয়, তিনি যদি দেশের বিরুদ্ধে কোনও ষড়যন্ত্র করেন তাহলে কি তার বিচার হবে না? আমি প্রশ্ন রাখি, কেউ যদি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন হয় তিনি কি আইনের ঊর্ধ্বে? তিনি মুক্তি পাবেন কি পাবেন না সেটি আদালতের এখতিয়ার। তবে কেউ অপরাধ করলে তার অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত। তার পক্ষে যারা বিবৃতি দিয়েছেন তাদের প্রতি সম্মান রেখে বলতে চাই, এটি আমাদের গণতান্ত্রিক রীতিনীতির চর্চা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার অংশ।’
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি ড. মুহাম্মদ সামাদ, বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু জাফর সূর্য, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা লায়ন চিত্তরঞ্জন দাস প্রমুখ।