গওহর রিজভী বলেন, ‘১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পাশাপাশি বর্বরদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে ধ্বংস করা। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর বাংলাদেশকে তারা পাকিস্তানের মতো গড়ে তুলতে চেয়েছিল। তারা অনেকটা এগিয়েও গিয়েছিল। ২১ বছর ক্ষমতা দখল করে ছিল। ক্ষমতায় থেকে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে দিতে চেয়েছিল। হয়তো তারা পেরে যেত, কিন্তু ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতা নেওয়ার পর ধীরে ধীরে দেশকে স্বপ্নের বাংলাদেশে ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।’
প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘২০০৯ সালের দিকে শেখ হাসিনাকে জেলে রাখা হয়েছিল। তাকে দেশ ত্যাগ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। মেরে ফেলার ভয় দেখানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি ভয় করেননি। উনার সঙ্গে বারবার আমার জেলে গিয়ে দেখা করার সুযোগ হয়েছিল। তিনি শুধু আমাকে একটা কথাই বলতেন, আমি ক্ষমতা চাই না। আমার বাবা যে স্বপ্ন দেখিয়ে গিয়েছিলেন– এই দেশ সোনার বাংলাদেশ হবে। এখানে দারিদ্র্য থাকবে না; কেউ না খেয়ে থাকবে না; সব ছেলেমেয়ে শিক্ষা পাবে। এই স্বপ্ন যদি পূরণ করে যেতে না পারি, তাহলে কি করে বাবাকে মুখ দেখাবো। ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের চেহারা পাল্টে দিয়েছেন।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা আহমেদ এনডিসি, হাসুমণির পাঠশালার সভাপতি মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ।