রবিবার সকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি-জামায়াত ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে মতের ঐক্য না থাকায় তারা সামগ্রিক পরিস্থিতিকে ডালে-চালে খিচুরি বানিয়ে ফেলেছে বলে এ সময় মন্তব্য করেন নানক। তিনি আরও বলেন, ‘গণমানুষের কল্যাণে আওয়ামী লীগের অবদান ও সাফল্যের কারণে নৌকার পক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বজয়ী নেতা শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে বাংলাদেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আওয়ামী লীগের পক্ষে অবস্থান করেছে।’
তিনি বলেন, ধ্বংসাত্মক রাজনীতির কারণে জনগণ বিএনপি-জামায়াত জোটকে প্রত্যাখ্যান করেছে। জনগণ বিএনপির ডাকে কোন সাড়া দেয়নি। বিএনপি জামায়াত জোট জনগণের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়ে নির্বাচনি প্রচার নামতে পারেনি। বিএনপি-জামায়াত জোট নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে সন্ত্রাস ও সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে। নির্বাচনের আগের রাতে বিএনপি-জামাত সন্ত্রাসীদের হামলায় পাঁচজন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী নিহত হয়েছে।
নানক দাবি করেন, বিএনপি-জামায়াত একদিকে সারা দেশে ত্রাস ও আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, অন্যদিকে মিডিয়ার সামনে লাগাতার মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। ড. কামাল হোসেনের মতো প্রবীণ ব্যক্তিও মিথ্যাচার করছেন। তিনি বিএনপির এজেন্ট না থাকার কথা বলেছেন। অথচ সাতটি আসনে উচ্চ আদালতের রায়ে প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় বিএনপির এজেন্ট না থাকারই কথা। যেখানে প্রার্থী নেই সেখানে এজেন্ট থাকবে কীভাবে। বাংলাদেশের কোনও নির্বাচনি এলাকায় বিএনপির প্রার্থী অথবা তাদের এজেন্টের ওপর জোর জবরদস্তি করা হয়েছে এমন কথা কেউ বলতে পারবে না। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচনে অযোগ্য যুদ্ধাপরাধী, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার খুনির পরিবারসহ এবং একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের পরিবার এবং জঙ্গিবাদ এর প্রতিষ্ঠাতা পৃষ্ঠপোষকদের মনোনয়ন দিয়ে বিএনপির দেউলিয়াত্ব প্রকাশিত হয়েছে।