শনিবার (১১ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সম্মেলন কক্ষে ইসির সঙ্গে বৈঠক হয়। আওয়ামী লীগের উত্তর সিটি নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়ক তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল বৈঠকে অংশ নেয়।
তিনি বলেন, ‘আমরা এমপিরা পথসভায় যাবো না। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্যাম্পেইন করবো না। কিন্তু আমাদের যে সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, আমরা তো ঘরোয়াভাবে মিটিং করতে পারবো। নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও ক্যাম্পেইনে যেতে পারবো না, সেটা আমরা মেনে নিয়েছি। তারা অনুরোধ করেছে এমপিদের ভোট না চাইতে। ভোট চাওয়া ছাড়া আমরা সব করবো।’
তোফায়েল বলেন, ‘গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে। এ ব্যাপারে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো। যেহেতু আমরা ক্ষমতাসীন দল তাই আমরা এমন কোনও কাজ করবো না যাতে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আচরণবিধির ২২ নম্বরে বলা আছে সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর নির্বাচনি প্রচার ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ। অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মধ্যে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্যরা। এই বিষয়টি আমরা তুলে ধরেছি এবং তারা আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন। সুবিধাভোগী ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির যে বিষয়টি সেখানে জাতীয় সংসদ সদস্যরা কিন্তু সুবিধাভোগী না। আবার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর তারা সবাই কিন্তু মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তারাও কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তারা (ইসি) স্বীকার করেছেন আসলে সংজ্ঞার মধ্যে স্ববিরোধিতা রয়েছে। কিন্তু আমাদের কিছু করার নেই। এখন যদি কিছু করি সরকারের জন্য মানুষের চোখে ভালো হবে না। আমাদের (ইসি) চোখেও এটি ভালো হবে না।’
তিনি বলেন, ‘কারও নামে ওয়ারেন্ট থাকলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবস্থা নেবে, এতে তাদের কিছু করার নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় এ বিষয়ে যে অপপ্রচার চলছে, তা বন্ধের উদ্যোগ নেবে।’
ইভিএম সম্পর্কে তোফায়েল বলেন, ‘আমরা বলেছি এটি সম্পূর্ণ আপনাদের (ইসি) এখতিয়ার। এটা করলেও আমাদের আপত্তি নেই, না করলেও নেই।’