সূত্র জানায়, কেন্দ্রভিত্তিক কমিটিগুলো সার্বক্ষণিক কেন্দ্রে অবস্থান করবে। কেন্দ্র কমিটির পক্ষ থেকে সেই কেন্দ্রের নির্বাচনি আপডেট ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ের নেতাদের জানানো হবে। থানা ও ওয়ার্ড সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা প্রয়োজন মনে করলে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডকে জানাবে। সেখান থেকে তথ্য পাঠানো হবে কেন্দ্রে। কেন্দ্র প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি কেন্দ্রে কাজ করবে। প্রয়োজন মনে করলে তারা মহানগর আওয়ামী লীগ কিংবা উত্তর বা দক্ষিণ সিটির জন্য গঠিত নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। তিনি জানান, ওয়ার্ড ও থানা কমিটিগুলোও নির্বাচন এবং আইনশৃঙ্খলার দিকে নজর রাখবে।
প্রসঙ্গত, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দুটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। উত্তর সিটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন দলের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ। এ কমিটির সদস্য সচিব ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচি। আর দক্ষিণ সিটির জন্য গঠিত কমিটির সমন্বয়ক হয়েছেন আরেক জ্যেষ্ঠ নেতা আমির হোসেন আমু। তার সদস্য সচিব হিসেবে কাজ করছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর। এ দুটি কমিটির পক্ষ থেকে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের সব ভোটকেন্দ্রের জন্য কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠন করা হয়। পাশাপাশি থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগকে তাদের আওতাধীন কেন্দ্রগুলোর প্রতি নজর রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড কমিটিকে নির্বাচনে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার জন্য দলের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জানতে চাইলে মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ভোটকেন্দ্র কমিটির পাশাপাশি ওয়ার্ড ও থানার নেতাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তাদের এলাকার ভোটকেন্দ্রে নজর রাখতে। প্রসঙ্গত, শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সকাল আটটায় শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট চলবে।